একজন প্রবীণ ভদ্রলোক ঠাকুরের নিকট নিবেদন করিলেন, “বাবা, আমি একটি ঠাকুরঘর উত্তরমুখী দরজা রেখে করেছি। কৈবল্যনাথ বিগ্রহ উত্তরমুখী করে বসালে দেখতে সুন্দর লাগে, আনন্দও হয়। কিন্তু পণ্ডিতগণ বলছেন, বিগ্রহ উত্তরমুখী করে বসাবার, বিধি ও বিধান নেই। এখন আমি কি করব আপনি দয়া করে বলে দিন।” ঠাকুর বলিলেন, ব্রহ্মের আবার দিগবিদিক কি? ব্রহ্ম সর্বদিকে বিরাজ করেন। যেইভাবে বসাইলে আপনে আনন্দ পান সেইভাবে বসান গিয়া। আনন্দ পাওয়া নিয়া কথা। ঠাকুরের কথা বিচার করিলে দেখিবেন, ভদ্রলোক কৈবল্যনাথ বিগ্রহ বসাইবেন, আর ঠাকুর বলিলেন ব্রহ্মের দিগ্বিদিক নাই। ব্রহ্ম সকল দিকে আছেন। তাহা হইলে বিচারে পাওয়া গেল ঠাকুর প্রকারান্তরে নিজেকে ব্ৰহ্ম বলিয়া স্বীকার করিলেন। ঠাকুর বহু উক্তিতে নানাভাবে ব্যক্ত করিয়াছেন তিনিই জগন্নাথ, তিনিই চৈতন্যদেব, তিনিই সত্যনারায়ণ । তিনি আরও বলিয়াছেন, আমাদের পঞ্চভূতের দেহ রক্ত, মাংস, অস্থি দিয়া গড়া । শ্রীদেহ সেরূপ নয়। ।
: - - ।জয় রাম জয় গুরু জয় গোবিন্দ।।
No comments: