শ্রীশ্রীঠাকুরের সহিত শ্রীঁফণীন্দ্র কুমার মালাকার মহাশয়ের কথোপকথন।
“ঠাকুর, নাম করতে বসলে মন বিভিন্ন স্থানে ও বিষয়ে ঘুরে বেড়ায়। নাম হয় না। কি নাম দিলেন?"
ঠাকুর বলিলেন - "তোমার পূর্বজন্মের সাধিত নাম শুনাইছি, নাম দেই নাই। মাতৃজঠরেও নাম শুনাইছিলাম। প্রকৃতির রাজ্যে আইস্যা ভুইলা গেছ। পুনরায় নাম স্মরণ করাইয়া দিছি। নাম করে শিবরূপী প্রাণে। নাম আবরনহীন। তাই মনের সংকল্প বিকল্পের অপেক্ষা রাখে না, অবিরাম নাম হয়। নাম শুনতে মন লাগে না। মন যেইখানে ইচ্ছা ঘুইরা বেড়াক। তুমি নাম শুনার জন্য চেষ্টা করবা। মনের দিকে লক্ষ্য রাখবা না। লক্ষ্য রাখবা নামের দিকে। মনের গতি চিরচঞ্চল। যত চঞ্চল হউক, আর যেইখানে যাউক না কেন ফিরা আবার নিজের জায়গায় আসবো। ফিরা আইসা তুমি যেই নাম শুনছ, মনও সেই নাম শুনতে পাইব। তুমি সর্ব্বদা নাম শুনবার জন্য অভ্যাস কর।"
পরনিন্দা, পরদ্রোহী দানবী স্বভাব, দেবতার নয়। নিন্দুকের জন্য ভগবৎ সত্তার মলিন হয় না। নিন্দার কর্ত্তারই ঘটিয়া উঠে। সূর্য্য মেঘাছন্নে পড়িলেও সূর্য্য মলিন হয় না। মেঘই মলিন হয়।
বেদবাণী – শ্রীশ্রীরামঠাকুর। (১/২৮২)
#দয়াল ঠাকুর শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর
No comments: